স্পীকারের বদলে শপথ পড়াবেন সিইসি।
জুলাই সনদ অনুযায়ি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিবেন নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। প্রথমে তারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিবেন। এরপর জাতীয় সংসদের একই কক্ষে সংস্কার পরিষদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০ টার এ শপথ অনুষ্ঠিত হবে বলে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যদের কাছে পাঠানো আমন্ত্রণপত্রে বলা হয়েছে “শপথ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র ইস্যু করা হচ্ছে। কোনো কারণে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কাছে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছাতে না পারলে শপথের দিন সংসদ ভবনের টানেলের অভ্যন্তরে মূল প্রবেশপথে স্থাপিত ফ্রন্ট ডেস্ক থেকে তা সংগ্রহ করা যাবে।”
নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখার অনুরোধ জানিয়েছে সংসদ সচিবালয়। সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে দুই শপথ ‘পর্যায়ক্রমে’ হবে।
সকালের এ আয়োজনের পর বিকালে হবে বিকালে নতুন সরকারের শপথ। দীর্ঘদিনের রীতি ভেঙে বঙ্গভবনের বাইরে সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এবার মন্ত্রিসভার শপথের আয়োজন করা হচ্ছে।
এবারের নির্বাচনে বিএনপি ২০৯ আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। অন্যদিকে তাদের এক সময়কার মিত্র জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসন পেয়ে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে। অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি আসনগুলোতে জয়ী হয়েছেন।
জানা যায়, রীতি অনুযায়ি দেশের আইনসভার সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালনের শপথ নেন আগের সংসদের স্পিকারের কাছ থেকে। তবে চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে আগের সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রকাশ্যে সেই। সে কারণে নতুন এমপিরা এবার শপথ নেবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সূত্র বলছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্ব বর্তাবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের ওপর।


