গাজায় ত্রাণবাহী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ আটকে দিয়ে ইসরায়েল আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার নিন্দার পাশাপাশি বহু দেশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে এবং বিশ্বের বিভিন্ন শহরে এই ঘটনার প্রতিবাদে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।\n\nএই ঘটনাকে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো তার দেশ থেকে সকল ইসরায়েলি কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছেন। স্পেন ও বেলজিয়াম নিজ নিজ দেশে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ এরদোয়ান এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে আটককৃতদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া পাকিস্তান, বলিভিয়া এবং মালয়েশিয়াও ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের নিন্দা করেছে।\n\nজাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার ভলকার টুর্ক গাজার অবরোধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড ইসরায়েলের এই অবরোধকে ‘অবৈধ’ বলে অভিহিত করে এর দায়মুক্তির সংস্কৃতির অবসানের দাবি তুলেছেন। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতির নিরাপদ সমাধান আশা করছে এবং আয়ারল্যান্ডের উপ-প্রধানমন্ত্রী সাইমন হ্যারিস ঘটনাটিকে ‘উদ্বেগজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন।\n\nইসরায়েলের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে ডাবলিন, প্যারিস, বার্লিন, জেনেভা, বুয়েনস আইরেস এবং করাচিসহ বিশ্বের বিভিন্ন বড় শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। ইতালির ইউনিয়নগুলো সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। তবে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এই নৌবহরের প্রচেষ্টার সমালোচনা করে বলেছেন, এটি ফিলিস্তিনিদের কোনো উপকারে আসবে না।

Share.
Exit mobile version