যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা ‘শান্তি পর্ষদ’ (পিস অব বোর্ড) এর সনদে স্বাক্ষর করে আনুষ্ঠানিকভাবে এর যাত্রা শুরু করলেন।
বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ফাঁকে এ সনদে সই করেন তিনি।
স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল ২০ টিরও কম দেশ। ট্রাম্প বলেন, তিনি চান এই শান্তি পর্ষদ যুদ্ধপরবর্তী গাজা পুনর্গঠন এবং বৈশ্বিক সংঘাত সমাধানে জাতিসংঘের সঙ্গে কাজ করুক।
এই পর্ষদে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। এর স্থায়ী সদস্য হতে প্রতিটি দেশকে ১০০ কোটি ডলার দিতে হবে। সৌদি আরব, পাকিস্তানসহ আরও ৭ দেশ যোগ দিচ্ছে ট্রাম্পের এই শান্তি পর্ষদে।
শুরুতে গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যকার দুই বছরের যুদ্ধের অবসানে সহায়তা ও পুনর্নির্মাণ কার্যক্রম দেখভালে এমন পর্যদ বানানোর কথা ভাবা হয়েছিল।
কিন্তু খসড়া সনদে এই পর্ষদের বূমিকা কেবল ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি। বরং এর কার্যপরিধি দেখলে মনে হবে এটি জাতিসংঘের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডকে প্রতিস্থাপনের উদ্দেশ্যেই এটি বানানো হচ্ছে।
ট্রাম্প এই পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করবেন; নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের নিয়োগ এবং এর অধীনে কোনো পরিষদ বানানো বা বিলুপ্ত করার ক্ষমতাও তার থাকবে।
কিছুদিন আগে হোয়াইট হাউস এর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিষদ সদস্যদের নাম ঘোষণা করে, যাদের মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ, ট্রাম্পজামাতা জারেড কুশনার ও সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারও আছেন।
জাতিসংঘের সাবেক মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত নিকোলে ম্লাদেনভকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে গাজার প্রতিনিধি হিসেবে।


