যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি দেওয়ার পর ডেনমার্কের এই দ্বীপাঞ্চলটির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করতে সেখানে প্রথম কনস্যুলেট খুলতে চলেছে কানাডা ও ফ্রান্স।
শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে কনস্যুলেট উদ্বোধন করতে গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুউকে যাচ্ছে কানাডার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধি দল।
এ দলে কানাডার গভর্নর জেনারেল মেরি সাইমন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দও আছেন। কানাডার একটি কোস্টগার্ড জাহাজ তাদের সঙ্গে থাকবে।
গ্রিনল্যান্ডে যাত্রা শুরুর আগে সাইমন এক বক্তব্যে বলেন, কানাডা দৃঢ়ভাবে গ্রিনল্যান্ডের মানুষের পাশে আছে। গ্রিনল্যান্ডের মানুষ নিজেরাই নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।”
কানাডার মতো একইভাবে গ্রিনল্যান্ড সফরে যাচ্ছে ফরাসি কর্মকর্তাদের একটি দলও। তারাও শুক্রবারেই গ্রিনল্যান্ডে তাদের কনস্যুলেট উদ্বোধন করবে।
গ্রিনল্যান্ডে বিদেশি সম্পৃক্ততার ঐতিহাসিক সম্প্রসারণ ঘটতে চলেছে এই দুই দেশের কূটনৈতিক মিশন খোলার মধ্য দিয়ে। এতদিন পর্যন্ত গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুউকে কেবল আইসল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক কনস্যুলেট ছিল।
জাতীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ট্রাম্পের বারবার গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের দখলে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলার পর দ্বীপটিতে ফ্রান্স ও কানাডার কনস্যুলেট খোলাটা গ্রিনল্যান্ডবাসীর প্রতি নেটো মিত্রদেশগুলোর সমর্থন অব্যাহত রাখারও একটি সংকেত।
কানাডা গ্রিনল্যান্ডে কনস্যুলেট খোলার ঘোষণা দিয়েছিল ২০২৪ সালের শুরুতেই। ২০২৫ সালে কনস্যুলেট উদ্বোধন করার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে সে পরিকল্পনা পিছিয়ে যায়।

