যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের ২৩টি দেশকে মাদক উৎপাদন ও পাচারের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে, যার মধ্যে ভারত, চীন ও পাকিস্তানের মতো দেশও রয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, কোনো দেশের ভৌগোলিক, বাণিজ্যিক বা অর্থনৈতিক পরিস্থিতি যদি মাদক তৈরি বা পরিবহনের জন্য সহায়ক হয়, তবে তাকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এটি সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের মাদকবিরোধী কার্যক্রমে ব্যর্থতা কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার মাত্রাকে নির্দেশ করে না।

তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ১২ মাসে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী অঙ্গীকার পূরণে ‘সুস্পষ্টভাবে ব্যর্থ’ হয়েছে, এমন পাঁচটি দেশের নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। এই দেশগুলো হলো আফগানিস্তান, বলিভিয়া, মিয়ানমার, কলম্বিয়া ও ভেনিজুয়েলা।

পূর্ণাঙ্গ তালিকায় থাকা দেশগুলো হলো—আফগানিস্তান, বাহামা দ্বীপপুঞ্জ, বেলিজ, বলিভিয়া, মিয়ানমার, চীন, কলম্বিয়া, কোস্টারিকা, ডোমিনিকান রিপাবলিক, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, হাইতি, হন্ডুরাস, ভারত, জ্যামাইকা, লাওস, মেক্সিকো, নিকারাগুয়া, পাকিস্তান, পানামা, পেরু ও ভেনিজুয়েলা।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধী চক্রের পাচার করা ফেন্টানিল ও অন্যান্য মাদকের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এসব মাদক বর্তমানে ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিকদের মৃত্যুর প্রধান কারণ।

এই প্রেক্ষাপটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের নেতাদের প্রতি নাইটাজিন, মেথামফেটামিনসহ অন্যান্য সিন্থেটিক মাদকের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে ধারাবাহিক ও দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং মাদক চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

Share.
Exit mobile version