জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছেড়ে ঢাকা-আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চাওয়া তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রার্থিতা ফেরত চেয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে করা তার আপিল আবেদনের শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত দিয়েছে ইসি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে পুরো কমিশন শুনানিতে রয়েছেন।

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটে জাতীয় নাগরিক পার্টির যোগদানের প্রশ্নে গত ২৭ ডিসেম্বর এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা। এরপর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা ১ শতাংশ ভোটারের তালিকা নিয়ে গড়মিলের কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিলে গিয়ে নিজের পক্ষে রায় পেলেন তাসনিম জারা।

এদিনই কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের মনোনয়নপত্রকে বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

এবার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। ‎শনিবার শুরু হওয়া আপিল শুনানি চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শনি, রোব ও সোমবারে অনুষ্ঠেয় ২১০ আপিল শুনানির রায়ের অনুলিপি মিলবে সোমবার।

ফুটবল মার্কা নিয়ে লড়তে চান জারা

প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর নির্বাচন ভবনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তাসনিম জারা বলেন, “নির্বাচন কমিশনে আপিল মঞ্জুর হয়েছে। আমার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।”

তাসনিম জারা বলেন, “দেশে-বিদেশে সকলে দোয়া করেছেন, অনেকে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তাদের সকলকে ধন্যবাদ। জনসমর্থনে আগামী নির্বাচনে লড়াই করতে পারব প্রার্থী হিসেবে।

“স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এখন মার্কার জন্য আবেদন করতে পারব, পছন্দের মার্কা ফুটবল।”

তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশনকেও ধন্যবাদ। আমরা এখন ফুটবল প্রতীক চেয়ে আবেদন করব। সবার সমর্থন নিয়ে লড়াই করতে পারব। সবার সাথে দেখা হবে।”

ঢাকা-৯ আসন সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা ও মান্ডা থানা নিয়ে গঠিত। এ আসনে এনসিপি থেকে মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া, বিএনপি থেকে হাবিবুর রশিদ ও জামায়াতে ইসলামী থেকে কবির আহমদ মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

Share.
Exit mobile version