উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে বলে মনে করছে জামায়াতে ইসলামী। তবে কয়েকটি আসনে দলীয় এজেন্টদের বাধা ও সন্ত্রাসীদের হামলার অভিযোগও করছে দলটি।
বৃহস্পতিবার মগবাজারে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের মূল্যায়ন তুলে ধরেন জামায়াতে ইসলামীর মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ।
কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এ ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, শুকরিয়া আদায় করছি। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে আনন্দঘন, উৎসবমুখর ও প্রত্যাশিত একটি নির্বাচন হচ্ছে। এ নির্বাচনে জাতি, সবাইকে নিয়ে আমরা চমৎকার পরিবেশ দেখতে পাচ্ছি। দেশব্যাপী উৎসবে পরিণত হয়েছে।”
জুবায়ের বলেন, প্রায় সব জায়গায় বিপুল ভোটার- নারী ও পুরুষ, বিশেষ করে যুবক তরুণ ভোটাররা সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। ইতোমধ্যে জামায়াত আমিরসহ দলটির নেতারা ভোট দিয়েছেন। তিনি পর্যায়ক্রমে এ আসনের কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটার, এজেন্টদের খোঁজখবর নিচ্ছেন, সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেছেন।
“সবদিক বিবেচনায় এখন পর্যন্ত মনে হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ, স্বতস্ফূর্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ব্যাপক সংখ্যক ভোটারের উপস্থিতিতে গত দেড় যুগের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছি। নতুন প্রজন্মের জন্য সম্পূর্ণ নতুন ইতিহাস।”
ভোলা, কুমিল্লা ও নোয়াখালীতে জামায়াত, এনসিপির প্রার্থীর এজেন্টদের বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করে জামায়াত।
জামায়াতে ইসলামীর মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, “বরিশালের ভোলায় ব্যাপকভাবে গতকাল হামলা হয়েছে আমাদের নেতাকর্মীদের, এজেন্টদের কাজ করতে দেওয়া হয়নি। ভোলা-২ আসনে সংঘাত হচ্ছে। অনেকগুলো সেন্টারে তাণ্ডব হচ্ছে। প্রশাসনের তরফ থেকে খুব কার্যকর সহযোগিতা পাচ্ছি না। ”
তিনি বলেন, “কুমিল্লা-৮ আসনে বরুড়ায় সন্ত্রাসীরা সমস্যা করছে, এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দিচ্ছে। প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। নোয়াখালীর হাতিয়ায় এনসিপির প্রার্থীর আসনে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে, ভোটার এজেন্টদের সমস্যা করা হচ্ছে এবং লাঞ্ছিত করা হচ্ছে।
“এসব যারা করছে তারা হতাশাগ্রস্ত। সামগ্রিকভাবে প্রশাসনকে তৎপরত ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাকি সময়ের মধ্যে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে এবং ইসি ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।“

