খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ায় টানা তিন মাসের মতো মূল্যস্ফীতি হার বেড়েছে।

জানুয়ারি মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ, যা গত বছরের জানুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। গেল ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর নভেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।

জানুয়ারির মূল্যস্ফীতির এ হার দিয়ে বোঝায়, গত বছর জানুয়ারি মাসে যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় মিলেছে, তা চলতি বছরের জানুয়ারিতে পেতে খরচ করতে হয়েছে ১০৮ টাকা ৫৮ পয়সা।

রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য বলছে, জানুয়ারিতে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতির হার ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। গেল ডিসেম্বরে এই হার ছিল ৭ দশমিক ৭১।

অন্যদিকে জানুয়ারিতে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে। ডিসেম্বরে এই খাতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ, জানুয়ারিতে সেটি কমে ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ হয়েছে।

জানুয়ারিতে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশে, যা ডিসেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

এ সময় গ্রামাঞ্চলে খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ, যা ডিসেম্বরে ছিল ৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

আর, খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি কমে ডিসেম্বরের ৯ দশমিক ২৬ শতাংশ থেকে ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশে নেমেছে।

অন্যদিকে, শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ডিসেম্বর মাসের ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ থেকে খানিকটা বেড়ে জানুয়ারিতে ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ হয়েছে।

জানুয়ারিতে শহরাঞ্চলে খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৬১ শতাংশ, যা ডিসেম্বরে ছিল ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ। আর, খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি কমে ডিসেম্বরের ৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ থেকে ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশে নেমেছে।

মূল্যস্ফীতি বাড়ায় খেটে খাওয়া মানুষের পকেটের ওপর চাপ বাড়লেও মজুরি হারের সূচকে কোনো সুখবর নেই।

সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার যেখানে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ, সেখানে নভেম্বরে মজুরি বৃদ্ধির হার ৮ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।

এর অর্থ হল, জীবযাত্রার ব্যয় যে হারে বাড়ছে, মানুষের আয় সেভাবে বাড়ছে না।

Share.
Exit mobile version