ইন্দোনেশিয়ার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইউনিভার্সিটাস সেবেলাস মারেট’ (ইউএনএস) বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি নিয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনার সুযোগ দিচ্ছে। ২০২৬ সালের আগস্ট সেশনে ভর্তির জন্য আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বৃত্তির আওতায় পূর্ণ বা আংশিক দুই ধরনের আর্থিক সুবিধা পাওয়া যাবে।

পূর্ণ বৃত্তির আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ করা হবে। এর পাশাপাশি জীবনযাত্রার ব্যয়ের জন্য স্নাতকে অধ্যয়নরতদের মাসিক ১৫ লাখ, স্নাতকোত্তরে ১৭ লাখ ৫০ হাজার এবং পিএইচডি পর্যায়ে ২২ লাখ ৫০ হাজার ইন্দোনেশীয় রুপিয়া ভাতা দেওয়া হবে। এছাড়াও বিনামূল্যে ইন্দোনেশীয় ভাষা শিক্ষা কোর্স ও স্বাস্থ্যবিমার সুবিধাও এর অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, আংশিক বৃত্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ করার পাশাপাশি ভাষা শিক্ষা কোর্স এবং স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা দেওয়া হবে।

আবেদনের অন্যতম যোগ্যতা হিসেবে প্রার্থীদের ইন্দোনেশিয়ার বাইরের দেশের নাগরিক হতে হবে। স্নাতক পর্যায়ে আবেদনের জন্য বয়সসীমা সর্বোচ্চ ২৪ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। আবেদনকারীর অবশ্যই ইংরেজিতে দক্ষতা থাকতে হবে এবং এর প্রমাণ হিসেবে টোয়েফল পরীক্ষায় বিজ্ঞান শাখার জন্য ন্যূনতম ৪৫০ এবং সমাজবিজ্ঞান শাখার জন্য ৫০০ স্কোর বা সমমানের সনদপত্র জমা দিতে হবে।

আগ্রহী প্রার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফরমেটে জীবনবৃত্তান্ত, আর্থিক ও ব্যক্তিগত বিবরণীসহ আবেদন করতে হবে। প্রয়োজনীয় कागজপত্রের মধ্যে রয়েছে হালনাগাদ ছবি, ন্যূনতম ১৮ মাস মেয়াদসহ পাসপোর্ট, সব একাডেমিক সনদ ও ট্রান্সক্রিপ্ট (ইংরেজি বা ইন্দোনেশীয় ভাষায় অনূদিত), এবং স্বাস্থ্য সনদ। স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে আবেদনের জন্য দুটি সুপারিশপত্র (রেফারেন্স লেটার) এবং শুধু পিএইচডির জন্য একটি গবেষণা প্রস্তাবনা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

শিক্ষার্থীদের প্রোগ্রামের পুরো মেয়াদে ভালো ফল বজায় রাখতে হবে। সমাজবিজ্ঞান অনুষদে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩ এবং প্রকৌশল ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞান অনুষদে ২ দশমিক ৭৫ থাকা আবশ্যক। অনলাইনে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫। এই বৃত্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে (https://uns.ac.id/en/admission/uns-scholarship/) পাওয়া যাবে।

Share.
Exit mobile version