ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচণ ও গণভোটে ৫ লাখ প্রবাসী ভোট দিয়েছে এবং এর মধ্যে সোয়া চার লাখ ব্যালট ডাকযোগে দেশে পোঁছেছে।
ইসির ওসিভি-এসডিআই প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, রোববার বেলা ১১টা পর্যন্ত চার লাখ ২৮ হাজার ৮২৮টি পোস্টাল ব্যালট ফিরেছে।
পোস্টাল ব্যালটের অ্যাপের তথ্য বলছে, ইতোমধ্যে ৫ লাখ ৩ হাজার ৪৪১ জন প্রবাসী ভোট দিয়েছেন। তার মধ্যে ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৭৬৫ জন ভোট দিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে জমা দিয়েছেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ প্রবাসীকে পোস্টাল ব্যালট পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
রোববার সকাল পর্যন্ত ব্যালট হাতে পেয়েছেন ৫ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ জন প্রবাসী।
নির্বাচন কমিশন বলছে, “পোস্টাল ভোটে নিবন্ধনকারী যে সকল সম্মানিত ভোটারগণ এখনও কিউআর কোড স্ক্যান করেননি, আগামী মঙ্গলবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের (বাংলাদেশ সময়) মধ্যে আপনার খামের উপর মুদ্রিত কিউআর কোড স্ক্যান করুন।”
এ সময়ের মধ্যে স্ক্যান না করলে ‘ব্যালট বাতিল বলে গণ্য হবে’ বলে জানিয়েছে কমিশন।
দেশে ও দেশের বাইরে থেকে ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ভোটার এবার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন, যাদের অর্ধেকের বেশি প্রবাসী।
‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারের পাশাপাশি দেশের ভেতরে তিন ধরনের ব্যক্তি নিবন্ধন করেছেন।
নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি, নিজ এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি চাকরিজীবী এবং আইনি হেফাজতে (কারাগারে) থাকা ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এজন্য রোববার বেলা ১১টা পর্যন্ত দেশের ভেতরে ৭ লাখ ৬০ হাজার ৮৯৮ জন ভোটারের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠিয়েছে কমিশন।
এর মধ্যে ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৪২ জন ভোটার ব্যালট সংগ্রহ করেছেন। যাদের ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৮৯৮ জন ভোটদান শেষ করেছেন এবং তাদের মধ্যে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৮২৬ জন ভোটদান শেষে ডাক অফিস বা বাক্সে তাদের ব্যালট পাঠিয়েছেন।
কমিশন বলছে, ব্যালট প্রাপ্তির পরপরই ভোটদান সম্পন্ন করে কাছের পোস্ট অফিসে হলুদ খাম সর্বশেষ মঙ্গলবারের মধ্যে জমা দিলে সঠিক সময়ে রিটার্নিং অফিসারের নিকট পৌঁছানো সম্ভব হবে।
১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বিকালে সাড়ে ৪টার মধ্যে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যাদের ব্যালট পেপার পৌঁছাবে, তাদের ব্যালট গণনা করা হবে।

