গান শোনা, ব্যায়াম বা অনলাইন সভা—নানা কাজে ইয়ারবাড এখন দৈনন্দিন জীবনের এক প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ। তবে নিয়মিত ব্যবহারের ফলে এতে দ্রুতই কানের ময়লা, ঘাম এবং ধুলাবালি জমে যায়। এর ফলে শুধু যে শব্দের মান কমে যায় তা-ই নয়, ব্যাটারির স্থায়িত্বের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। অপরিষ্কার ইয়ারবাড থেকে কানে সংক্রমণের আশঙ্কাও থাকে।
সাধারণ কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করে সহজেই ইয়ারবাড পরিষ্কার রাখা সম্ভব, যার জন্য কোনো দামি যন্ত্রপাতির প্রয়োজন নেই। নিয়মিত সঠিক যত্ন নিলে এটি দীর্ঘদিন ভালো থাকে এবং শব্দের স্পষ্টতাও বজায় থাকে।
ইয়ারবাডের বাইরের অংশ পরিষ্কারের জন্য মাইক্রোফাইবার কাপড় সবচেয়ে উপযোগী। এই কাপড়ে সামান্য পরিষ্কারক বা জীবাণুনাশক নিয়ে আলতোভাবে মুছলে ঘাম ও তেলหมดা দূর হয়। তবে খেয়াল রাখতে হবে, কোনো তরল যেন ইয়ারবাডের ভেতরে প্রবেশ না করে।
এর সিলিকন বা ফোম টিপগুলো আলাদা করে নেওয়া গেলে, সেগুলো পরিষ্কার করা সহজ হয়। অল্প গরম সাবান-পানিতে সিলিকন টিপ ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে নরম কাপড় বা কটন বাড দিয়ে ঘষলে ময়লা উঠে যায়। তবে ফোম টিপ বেশিক্ষণ ভেজানো উচিত নয়, কারণ তা সহজে পানি শোষণ করে।
শব্দ কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো মেশ স্ক্রিনে ময়লা জমা। এটি পরিষ্কারের জন্য ইয়ারবাডটি উল্টো করে ধরে একটি নরম ব্রাশ দিয়ে আলতোভাবে ঘষতে হবে। এতে ময়লা ঝরে পড়বে। বেশি জোরে ঘষলে ময়লা ভেতরে ঢুকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
একইভাবে চার্জিং কেসটিও নিয়মিত পরিষ্কার করা জরুরি। একটি শুকনা কাপড় দিয়ে এর ভেতর ও বাইরের অংশ ভালোভাবে মুছে নিতে হবে। চার্জিং পিন ও কোনার ময়লা পরিষ্কারের জন্য কটন বাড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেস সম্পূর্ণ শুকানোর পরেই ইয়ারবাড ভেতরে রাখা উচিত। ইয়ারবাডের সঙ্গে থাকা কাপড়ের পাউচ বা কভারটিও মাঝে মাঝে সাবান-পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে নিলে ভালো হয়।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

