ইরান ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ‘নজিরবিহীন’ অভিযান পরিচালনার দাবি করেছেন ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ডেভিড বার্নিয়া। তিনি এই অভিযানকে ইসরায়েলের কৌশলগত সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেছেন।
বার্নিয়া বলেন, শত্রুপক্ষের ‘গোপন আস্তানার কেন্দ্রস্থল’ থেকে গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে মোসাদ। তার দাবি, এই তথ্য ভবিষ্যৎ সামরিক পরিকল্পনায় বড় ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও জানান, অভিযানে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে কাজ করেছে মোসাদ। “ইরান ও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আমরা আইডিএফ-এর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রক্ষণাত্মক ও আক্রমণাত্মক উভয় ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করেছি,” বলেন তিনি।
অন্যদিকে, চলমান অভিযানের মধ্যে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। আইডিএফ-এর পক্ষ থেকে জারি করা সতর্কবার্তায় বিনত জবেইল জেলার একাধিক গ্রাম ও শহরের বাসিন্দাদের দ্রুত এলাকা ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।
এ নির্দেশনার আওতায় থাকা এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে—গান্দুরিয়া, বুর্জ কালাওয়িয়া, কালাওয়িয়া, আল-সাওয়ানা, আল-জুমাইজিমা, সাফাদ আল-বাতিখ, ব্রাশিত, শাকরা, আইতা আল-জাবাল, তিবনিন, আল-সুলতানিয়া, বির আল-সানাসিল, দুনিন, খিরবেত সিলম, সালা এবং দেইর কিফা।
ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, হিজবুল্লাহর সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করেই এসব এলাকা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এতে করে দক্ষিণ লেবাননের সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

