ইরানে চলমান কঠোর ইন্টারনেট বিধিনিষেধ ও ব্ল্যাকআউটের মধ্যেও দেশটির সাধারণ মানুষ নানা উপায়ে বিদেশে থাকা স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন। অনেক ক্ষেত্রে ঝুঁকি নিয়েই তারা বিকল্প প্রযুক্তি ও কৌশল ব্যবহার করছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে দীর্ঘ সময় ধরে বৈশ্বিক ইন্টারনেট সেবা সীমিত বা বন্ধ থাকায় মানুষ কার্যত বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। এতে বিদেশে থাকা পরিবার-পরিজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
তবে এই বাধা অতিক্রম করতে অনেকেই ভিপিএন, প্রক্সি বা অন্যান্য সেন্সরশিপ এড়ানোর সফটওয়্যার ব্যবহার করছেন। এমনকি কেউ কেউ স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বা সীমান্তবর্তী এলাকার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেও যোগাযোগের চেষ্টা করছেন।
কিছু ক্ষেত্রে সীমান্ত এলাকায় থাকা লোকজন দুইটি ফোন ব্যবহার করে বিদেশে থাকা পরিবারের সঙ্গে কথা বলার ব্যবস্থা করে দেন—একটি ফোন আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কে এবং অন্যটি ইরানের নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকে। এভাবে তারা দুই প্রান্তের মানুষকে কথা বলার সুযোগ করে দেন। তবে এই পদ্ধতি ব্যয়বহুল এবং ঝুঁকিপূর্ণ।
প্রযুক্তিবিদদের মতে, ইরানের সরকার দীর্ঘদিন ধরেই ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণের জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসছে। সাম্প্রতিক সংঘাত ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে সরকার দেশকে বৈশ্বিক ইন্টারনেট থেকে আরও বিচ্ছিন্ন করার পদক্ষেপ নিয়েছে।
ফলে দেশটির বহু মানুষ এখন প্রযুক্তিগত নানা কৌশল ব্যবহার করে বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার চেষ্টা করছেন।
সূত্র: বিবিসি

