ইরান যুদ্ধের মধ্যে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় একজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন।
শনিবার আহত ওই প্রবাসীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম জানা যায়নি। দূতাবাসের তরফেও সেখানে কাজ করা ওই ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যানি।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী একজন বাংলাদেশি কর্মী এই হামলায় আহত হয়েছেন। দূতাবাসের পক্ষ থেকে তার শারীরিক অবস্থার নিয়মিত খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।
কুয়েত টাইমস ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বিমানবন্দরের বরাতে বলছে, ড্রোন হামলার পর জরুরি সেবা সংস্থাগুলো দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এসব খবরে বলা হয়, এ হামলায় বিমানবন্দরের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বেশ কয়েকজন আহত হন। হামলার পরপরই কুয়েতের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা পুরো বিমানবন্দর এলাকা ঘিরে ফেলেন। সাময়িকভাবে উড়োজাহাজ চলাচল স্থগিত করা হয়।
কুয়েত সরকার এ হামলাকে একটি ‘কাপুরুষোচিত নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল থেকে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনার নেপথ্যে থাকা চক্রকে শনাক্ত করতে ব্যাপক গোয়েন্দা তৎপরতা ও তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। যাত্রীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তবে সাধারণ যাত্রী ও বিমানবন্দর কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এদিকে উপসাগরীয় এলাকায় যুদ্ধ শুরু হওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কুয়েতে অবস্থিত সকল প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিককে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনে দূতাবাসের তরফে অনুরোধ করা হয়েছে।
নিরাপত্তার স্বার্থে সবাইকে সামরিক স্থাপনার আশপাশ থেকে দূরে থাকার এবং সবাইকে বাসায় অথবা নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

